ক্রিকেটার নাঈমকে হেনস্তার ঘটনায় ২ পুলিশ প্রত্যাহার

জাতীয় ক্রিকেট দলের স্পিনার নাঈম হাসানকে হেনস্তার ঘটনায় দায়িত্বে গাফিলতির অভিযোগে এসআই শফিকুল ইসলাম ও কনস্টেবল রাসেলকে প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন নগর পুলিশের সহকারী কমিশনার আমিরুল রশিদ।

এ ছাড়া চোরাচালান সন্দেহে তুলে এনে রাতভর থানায় রাখার ঘটনায় পুলিশের ব্যাখ্যা নতুন প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। খুলশী থানার পুলিশ বলছে, ভুল তথ্যের ভিত্তিতে তাকে থানায় আনা হয়েছিল। থানায় আনার পর ওসি নিজেই তাকে চিনতে পেরে ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ দেন।কিন্তু এর পরও পরদিন সকালে তার ব্যাগ ও ব্যক্তিগত মালপত্র তল্লাশি করা হয়। এতে প্রশ্ন উঠেছে, যদি পুলিশ নিশ্চিত হয়ে থাকে যে ভুল হয়েছে, তাহলে পরদিন আবার তল্লাশির প্রয়োজন হলো কেন? আর যদি সন্দেহ থেকেই থাকে, তাহলে তাকে আগেই ছেড়ে দেওয়া হলো কীভাবে?

শনিবার সকালে নাঈম হাসানের ভাই সাব্বির আলম বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন।

ঘটনার পর পুলিশের পক্ষ থেকে দেওয়া বক্তব্যে দেখা গেছে, একদিকে তারা ভুল স্বীকার করছে, অন্যদিকে চোরাচালানের তথ্যকে গুরুত্ব দিয়ে পরবর্তী তল্লাশির কথাও বলছে। দুই অবস্থানের মধ্যে এই অসঙ্গতি নিয়েই এখন আলোচনা শুরু হয়েছে।খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুল ইসলাম বলেন, একটি সংস্থার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে থানার সেকেন্ড অফিসার জানতে পারেন, একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশার মাধ্যমে চোরাচালানের মালামাল সরবরাহ করা হচ্ছে। সেই তথ্যের ভিত্তিতে এসআই শফিকুল ইসলাম অভিযান পরিচালনা করেন।

ওসি বলেন, ‘এসআই শফিক কাউকে কিছু না জানিয়ে অভিযান চালান করেন। তিনি নাঈম হাসানকে থানায় নিয়ে আসেন। থানায় আনার পর আমি তাকে দেখে চিনতে পারি এবং বুঝতে পারি ভুল হয়েছে। এরপর তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

তবে একই সঙ্গে ওসি জানান, পরদিন সকালে নাঈম হাসানের ব্যাগ ও ব্যক্তিগত মালপত্রও তল্লাশি করা হয়। কিন্তু সেখানে কোনো ধরনের অবৈধ বা সন্দেহজনক বস্তু পাওয়া যায়নি।

Popular posts from this blog

বিদেশি ঋণ ছাড়াল ১১৩ বিলিয়ন ডলার

হারতে বসলে ইসরাইলের পক্ষে আমরা যুদ্ধে নামবো: উগান্ডার সেনাপ্রধান

ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট ও আউটরিচ কো-অর্ডিনেটর – ইন্টার্নশিপ