১৩৩ কোটির দুই জবাইখানায় সাত বছরে জবাই হয়েছে মাত্র একটি গরু

আধুনিক ভবন, বড়সড় ফটক, পশু ওঠা–নামার পৃথক জায়গা—সবই আছে। ভবনের ভেতরে আছে কোটি টাকার যন্ত্র। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। সবই অলস পড়ে আছে। জমেছে ধুলার আস্তর। তা–ও এক দিন বা দুই দিন নয়; বছরের পর বছর ধরে।

এমনটাই দেখা গেছে রাজধানীর হাজারীবাগ ও কাপ্তানবাজারের পশু জবাইখানায়। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) তত্ত্বাবধানে রয়েছে এ দুটি আধুনিক জবাইখানা।

ঢাকাবাসীকে নিরাপদ মাংস সরবরাহের জন্য এ দুটি পশু জবাইখানা নির্মাণ করা হয়েছিল। উদ্দেশ্য ছিল—জবাইয়ের আগে পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা, অসুস্থ পশু বাদ দেওয়া, পশু জবাইয়ের পর সেই মাংস পরীক্ষা করে দেখা। এখানে পশুর রক্ত ও বর্জ্যের আধুনিক ব্যবস্থাপনা থাকার কথা। কিন্তু বাস্তবে এসবের কিছু হয়নি।ডিএসসিসি প্রকৌশল বিভাগের সূত্রে জানা গেছে, ২০১৭ সালের আগস্টে হাজারীবাগের পশু জবাইখানার নির্মাণকাজ শুরু হয়েছিল। শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০২০ সালের জুনে। কিন্তু নির্মাণকাজ পুরোপুরি শেষ হওয়ার আগে ২০১৯ সালে ঢাকা দক্ষিণ সিটির তৎকালীন মেয়র সাঈদ খোকন এটি উদ্বোধন করেন।জানা গেছে, উদ্বোধনের দিন হাজারীবাগের পশু জবাইখানায় গরু জবাই করা হয়েছিল। এরপর সাত বছর পার হয়েছে। ওই জবাইখানায় আর কখনোই কোনো পশু জবাই হয়নি। অথচ এখানে ঘণ্টায় ৩০টি গরু ও ৬০টি ছাগল জবাই করা যায়। জবাইখানাটি নির্মাণে খরচ হয়েছিল ৮১ কোটি টাকা।

সরেজমিন দেখা যায়, হাজারীবাগের জবাইখানার পাঁচতলা ভবনের প্রধান ফটক তালাবদ্ধ। ভেতরে কিংবা বাইরে কোনো নিরাপত্তাকর্মীর দেখা পাওয়া যায়নি। সামনেই শামিয়ানা টাঙিয়ে বসেছে কোরবানির পশুর হাট।

Popular posts from this blog

বিদেশি ঋণ ছাড়াল ১১৩ বিলিয়ন ডলার

হারতে বসলে ইসরাইলের পক্ষে আমরা যুদ্ধে নামবো: উগান্ডার সেনাপ্রধান

ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট ও আউটরিচ কো-অর্ডিনেটর – ইন্টার্নশিপ