টানা তৃতীয় বছরের মতো কোরবানি হচ্ছে না গাজায়
গবাদি পশুর সংকটে টানা তৃতীয় বছরের মতো এবারও ঈদুল আজহায় কোরবানি দিতে পারছেন না গাজার বাসিন্দারা।
সাধারণত বছরের এই সময়ে মাজেন আল-জেরজাউই ঈদুল আজহার প্রস্তুতি নিতেন। উৎসবের সময় গাজাজুড়ে যখন লোকজন কোরবানির জন্য পশু খুঁজত, তখন তিনি তার পালন করা শত শত ভেড়া ও ছাগল বিক্রি করতেন।একসময় গাজার অন্যতম প্রধান পশুপালক হিসেবে পরিচিত এই ব্যক্তি এখন একটি ছোট রেস্তোরাঁ চালান। তিনি এখন অবরুদ্ধ এই উপত্যকায় বাইরে থেকে আসা হিমায়িত মাংসের ওপর নির্ভরশীল।
গাজা সিটির বাসিন্দা জেরজাউই মিডল ইস্ট আইকে বলেন, ‘বছরের এই সময়ে আমি প্রায় ২০০টি ভেড়া ও গরু বিক্রি করতাম। আজ আমার কাছে একটিও নেই।’
তিনি আরো বলেন, ‘গাজায় কোনো জীবন্ত পশুকেই প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না।’
তিনি বলেন, ‘ইসরাইল গাজার মানুষের সাথে এমন আচরণ করছে যেন তারা এখানে সাময়িকভাবে বসবাস করছে। যা কিছু অনুমতি দেওয়া হচ্ছে তা কেবল ন্যূনতম পর্যায়ে কোনোমতে চালিয়ে নেওয়ার জন্য।’ঈদুল আযহা ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি উৎসব। এই দিনে সামর্থ্যবান মুসলমানরা ঈদের নামাজের পর একটি ভেড়া, ছাগল, গরু বা উট কোরবানি করেন এবং সেই মাংস পরিবার, প্রতিবেশী ও অভাবীদের মধ্যে ভাগ করে দেন।
যুদ্ধের আগে, কোরবানির চাহিদা মেটাতে গাজায় প্রতি বছর ঈদের আগে ৪০ হাজার থেকে ৬০ হাজার ভেড়া ও বাছুর আমদানি করা হতো।