বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জে বাজেট, চূড়ান্তে হিমশিম সরকার
এক লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা লাগবে বিদ্যুৎ, এলএনজি, সারসহ কয়েকটি খাতের ভর্তুকি ও প্রণোদনায়। পে স্কেল আংশিক বাস্তবায়নে লাগবে ৩৫ হাজার কোটি টাকা। মোটা অঙ্কের অর্থ বরাদ্দ করতে হবে মেগা প্রকল্প পদ্মা ব্যারাজ ও মেট্রোরেলের নতুন দুটি লেনে। অর্থ লাগবে ৪০ হাজার কোটি টাকার বোয়িং এয়ারক্রাফট ক্রয়চুক্তির অনুকূলে। বিভিন্ন ধরনের কার্ডের মাধ্যমে সামাজিক সহায়তা খাতে লাগবে বিপুল অর্থ। খাল খননসহ নির্বাচনি প্রতিশ্রুতির অন্যান্য ক্ষেত্রেও রয়েছে বড় অঙ্কের চাহিদা।
পক্ষান্তরে সামগ্রিক অর্থনীতি মন্দার কবলে। রেমিট্যান্স ছাড়া সামষ্টিক অর্থনীতির সূচকগুলো নেতিবাচক ধারায়। চলতি অর্থবছরে রাজস্ব আদায়ে ঘাটতির অঙ্ক লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাচ্ছে। অর্থ সংকটে সরকার ব্যাংক থেকে বিপুল অঙ্কের টাকা ধার করে চলছেগণঅভ্যুত্থান-উত্তর বাংলাদেশে নির্বাচিত রাজনৈতিক সরকারের প্রথম বাজেটকে জনবান্ধব করার চ্যালেঞ্জ উতরাতে গিয়ে ঘামছেন নীতিনির্ধারকরা। রাতদিন একাকার করে কাজ করছেন বাজেটের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রী হিসাব কষছেন দফায় দফায়। নির্দেশনা দিচ্ছেন নিয়মিত। তিন সপ্তাহের মাথায় ৭ জুন সংসদের বাজেট অধিবেশন শুরু হবে। এরপর ১১ জুন উপস্থাপন করা হবে বাজেট। তার আগে সাত দিনের ঈদুল আজহার ছুটি। ঈদের আগে কর্মদিবস আছে মাত্র ছয়টি। বাজেটের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অর্থ মন্ত্রণালয়ের একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গতকাল বৃহস্পতিবারও বেশকিছু খাতের বিষয়ে সরকারের চূড়ান্ত নির্দেশনার অপেক্ষায় ছিলেন তারা।