কিডনি চিকিৎসক কামরুল ইসলামের হাসপাতালে 'চাঁদাবাজির' ঘটনায় সাবেক যুবদল নেতা গ্রেপ্তার
শ্যামলীর সেন্টার ফর কিডনি ডিজিজেস অ্যান্ড ইউরোলজি (সিকেডি) হাসপাতালে চাঁদা দাবির মামলায় প্রধান আসামি ও সাবেক যুবদল নেতা মঈন উদ্দিন মঈনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। সোমবার র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখা থেকে জানানো হয় যে, মঈন ছাড়াও আরও ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর আগে এই ঘটনায় জড়িত মঈনের চার সহযোগী মো. ফালান মিয়া, মো. রুবেল, মো. সুমন ও মো. লিটন মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। সিকেডি হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটার ইনচার্জ মো. আবু হানিফ বাদী হয়ে শেরেবাংলা নগর থানায় এই মামলাটি দায়ের করেন, যেখানে মঈনসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৭-৮ জনকে অভিযুক্ত করা হয়।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, মঈন ও তার সহযোগীরা দীর্ঘদিন ধরে ৫ লাখ টাকা দাবি করে আসছিল। গত ১০ এপ্রিল সকালে আসামিরা বাদীর বাসায় গিয়ে চাঁদা দাবি করে। মামলার এজাহারে বাদী উল্লেখ করেছেন, "মঈন আমার স্ত্রীকে বলে, চাঁদাবাবদ এখনই তাদের ৫ লাখ টাকা দিতে হবে। টাকা না দিলে আমিসহ আমার স্ত্রীর বিভিন্ন ধরনের ক্ষতির হুমকি দেয়।" পরবর্তীতে তারা প্রায় ৫০-৬০ জন লোক সমবেত করে হাসপাতালের সামনে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করে। এজাহারে আরও বলা হয়, "তারা সিকেডি হাসপাতালের মালিক মো. কামরুল ইসলামকে হুমকিসূচক স্লোগান দিতে থাকে" এবং হাসপাতালের ইমার্জেন্সি ডিপার্টমেন্টের সামনে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরির অপচেষ্টা চালায়।