২৩ দিনে ১৭ বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৮ শিক্ষার্থীর মৃত্যু
গত ১০ মার্চ থেকে ৩ এপ্রিলের মধ্যে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৮ জন শিক্ষার্থীর ‘অস্বাভাবিক’ মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে পাঁচজন আত্মহত্যা করেছেন, নয়জন দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন এবং বাকি চারজন অসুস্থতাজনিত কারণে মারা গেছেন। নিহতদের মধ্যে পাঁচজন মেডিকেল শিক্ষার্থী এবং অন্যরা বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু ঘটেছে শুক্রবার (৩ এপ্রিল) একদিনেই। এছাড়া পদ্মায় বাসডুবির ঘটনা একই দিন মারা যান চার শিক্ষার্থী।গত মাসের ১০ তারিখ (মঙ্গলবার) সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন রাজশাহীর বেসরকারি ইসলামী ব্যাংক মেডিকেল কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্রী আনিসা শারমিলা নাফিসা। গত ৩ মার্চ মেডিকেল কলেজ থেকে বাসায় ফেরার পথে নগরীর লিলি হল সংলগ্ন এলাকায় মিনি ট্রাকের সঙ্গে দুর্ঘটনার শিকার হন তিনি। গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে তাকে প্রথমে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতাল ও পরে ঢাকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান নাফিসা।বাংলাদেশের প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড প্রোডাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং (আইপিই) বিভাগের ২১তম ব্যাচের মেধাবী শিক্ষার্থী আসিফ আসমাত নিবিড় মারা যান গত মাসের ১৩ তারিখ (শুক্রবার)। দীর্ঘদিন ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই শেষে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান তিনি। আসিফ আসমাত নিবিড়ের গ্রামের বাড়ি চুয়াডাঙ্গায়। তিনি চুয়াডাঙ্গার ভিক্টোরিয়া জুবিলি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ও চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজে অধ্যয়নের পর প্রকৌশলী হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে বুয়েটে ভর্তি হয়েছিলেন। তিনি লেখালেখির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। করতেন অনুবাদও।