নিজভূমে চিরঘুমে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি
ইরানের পবিত্র শহর মাশহাদের রাস্তায় মাইলের পর মাইলজুড়ে শোকার্ত মানুষের ঢল। কারও কারও হাতে প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ছবি। কেউ কাঁদছেন, কেউ বিমর্ষ; মুখে স্পষ্ট ফুটে উঠছে বিষণ্নতা। কেউ করছেন মাতম। লাখো মানুষের মিছিল চিরে ধীরগতিতে চলছিল কফিনবাহী গাড়ি। পুরো মাশহাদ যেন শোকের নগরী!
এভাবেই ইরানের মানুষ তাদের প্রয়াত নেতাকে শেষ শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। ছয় দিনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে বৃহস্পতিবার জন্মশহর মাশহাদেই তার দাফন সম্পন্ন হয়। ইরানের তেহরান ও কওম ছাড়াও ইরাকের নাজাফ ও কারাবালায় নেওয়া হয়েছিল লাশবাহী কফিন। উভয় দেশেই সড়কে নেমে এসে মানুষ খামেনিকে শ্রদ্ধা জানান। ধারণা করা হয়, পুরো আনুষ্ঠানিকতায় অংশ নিয়েছেন কয়েক কোটি মানুষ।কালো পোশাক আর হাতে লাল পতাকা নিয়ে ইরানের পবিত্র শহর মাশহাদের রাস্তায় মাইলের পর মাইলজুড়ে শোকার্ত মানুষের ঢল। কারও কারও হাতে প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ছবি। কেউ কাঁদছেন, কেউ বিমর্ষ; মুখে স্পষ্ট ফুটে উঠছে বিষণ্নতা। কালো পোশাক আর হাতে লাল পতাকা নিয়ে ইরানের পবিত্র শহর মাশহাদের রাস্তায় মাইলের পর মাইলজুড়ে শোকার্ত মানুষের ঢল। কারও কারও হাতে প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ছবি। কেউ কাঁদছেন, কেউ বিমর্ষ; মুখে স্পষ্ট ফুটে উঠছে বিষণ্নতা। কেউ করছেন মাতম। লাখো মানুষের মিছিল চিরে ধীরগতিতে চলছিল কফিনবাহী গাড়ি। পুরো মাশহাদ যেন শোকের নগরী!
এভাবেই ইরানের মানুষ তাদের প্রয়াত নেতাকে শেষ শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। ছয় দিনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে বৃহস্পতিবার জন্মশহর মাশহাদেই তার দাফন সম্পন্ন হয়। ইরানের তেহরান ও কওম ছাড়াও ইরাকের নাজাফ ও কারাবালায় নেওয়া হয়েছিল লাশবাহী কফিন। উভয় দেশেই সড়কে নেমে এসে মানুষ খামেনিকে শ্রদ্ধা জানান। ধারণা করা হয়, পুরো আনুষ্ঠানিকতায় অংশ নিয়েছেন কয়েক কোটি মানুষ।গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের হামলায় পরিবারের চার সদস্যসহ নিহত হন ৮৬ বছরের আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি।
আলজাজিরা জানায়, মাশহাদে ইমান রেজার দরগায় তাদের দাফন করা হয়েছে। এর আগে ওই স্থানে সাবেক প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসিকে দাফন করা হয়েছিল।
আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে শ্রদ্ধা জানানোর পুরো প্রক্রিয়ায় অনুপস্থিত ছিলেন তার ছেলে ও বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি। তবে তার আরও তিন ছেলে জানাজায় অংশ নেন। যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের হামলার সময় মোজতবা আহত হয়েছিলেন। তিনি কোথায় আছেনতা নিয়ে নানা জল্পনা আছে। তবে ইরান সরকারের তরফ থেকে বলা হচ্ছে, নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে তাকে আড়ালে রাখা হয়েছে।